গত ১৩ মার্চ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সাপাহার উপজেলার হাঁপানিয়া দক্ষিন বেলডাঙ্গা গ্রামের আবুল কাশেম (ফড়িং) এর ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৮) অন্যান্য রাখালের সাথে ২৩৬,পিলার এলাকা দিয়ে ভারত অভ্যন্তরে গরু আনতে যায়। এসময় ভারতের হবিপুর থানার পান্নাপুর বিএসএফ ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ জোয়ানরা তাদের পিছু ধাওয়া করলে অন্যান্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও আনোয়ার বিএসএফ’র হাতে ধরা পড়ে।
ধৃত আনোয়ার কে বিএসএফ সদস্যরা বেধড়ক পিটাতে থাকে এক সময় সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে বিএসএফ তাকে ভারতের হবিপুর থানা হাসপাতালে ভর্তি করে এর পর রাতেই চিকিৎসাধীনাবস্থায় হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
খবর টি স্থানীয়ভাবে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নিহত আনোয়ারের বাবা আবুল কাশেম তার ছেলের লাশ ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর নিকট থেকে ফেরত পেতে ১৫মার্চ স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পে একটি আবেদন করেন। এর পর স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক ১৬মার্চ রবিবার ওই গ্রামে গেলে বিএসএফ’র হাতে মৃত্যু আনোয়ারের পিতা-মাতা হাউমাউ করে কেঁদে কেঁদে তাদের আর্তনাত প্রকাশ করে। তৎক্ষনাত বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য সাংবাদিকগন স্থানীয় হাঁপানিয়া বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার মজনু মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি সম্পূর্ন এড়িয়ে গিয়ে কোন তথ্য জানেননা বলে জানিয়ে দেন। কিন্তু এর পর কয়েক ঘন্টা যেতে না যেতেই রবিবার দিবাগত রাতে হাঁপানিয়া ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা ২৩৬,পিলার এলাকায় ভারতের পান্নাপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সাথে লাশ ফেরতের বিষয়ে কথা বলে ব্যার্থ হন।
তবে আজ সোমবার বিকেল ৫টার দিকে বিএসএফ’র সাথে পতাকা বৈঠকের কথা রয়েছে বলে নওগাঁ ১৬ বিজিবির এডি রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন। তবে মৃত আনোয়ার ভারতে গরু আনতে যায়নি সে মানসিক ভারসম্যহীন ব্যক্তি ছিল ভারতে গিয়ে সে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বিএসএফ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে এবং সেখানে তিনি মারা যান বলে বিজিবি’র পক্ষথেকে জানানো হয়েছে।