
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সোনারগাঁও পৌরসভায় সহকারী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ৮ বছর একই কর্মস্থলে থাকার অভিযোগ উঠেছে। ওয়েবসাইট অনুসারে তার কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ গত ২০১৭ সালের ০৬ নবেম্বর । পৌরবাসী জানান মাঝে মধ্যে বদলীর অর্ডার হলেও নানা কৌশলে সোনারগাঁও পৌরসভাতেই অবস্থান করে আছেন তিনি। তার বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী একই কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি সময় থাকার বিধান নেই। অথচ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ তার বর ভাই ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক এই ক্ষমতাবলে একই কর্মস্থলে দীর্ঘ ৮ বছর চাকরি করছেন তা নিয়েও সমালোচনা চলছে বিভিন্ন মহলে। অনেকটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন এই কর্মকর্তা। দীর্ঘ দিন একই কর্মস্থলে চাকরির সুবাধে ডালপালা মেলেছেন তার। তার অধিপত্যে অধিনস্থ কিংবা সেবা গ্রহীতারা মুখ খুলে প্রতিবাদ করতে পারছেন না ভয়ে। নিজের ইচ্ছামাফিক চালাচ্ছেন কার্যক্রম। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছেন তিনি এবং তার পিয়ন শাহীন । তানভীর ঢাকা মিরপুর এলাকায় গাড়ি-বাড়ি’ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে । সহকারী প্রকৌশলী প্রতিনিয়ত পিয়ন শাহীনকে দিয়ে কমিশন বাণিজ্য করেন। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি নিজ নামে এবং বেনামে মূল্যবান সম্পদ অর্জন করেছেন।
সূত্রে জানা যায়, সহকারী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ একই অফিসে দীর্ঘ বছর যাবৎ বহাল তবিয়তে থাকায় নানা অনিয়ম, দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন এবং রহস্য জনক ভাবে খুটি গেরে বসেছেন তিনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাবেক মহিলা কর্মচারী জানান নিয়ম অনুযায়ী সহকারী প্রকৌশলীর এক কার্যালয়ে সময়কাল মাত্র ৩ বছর। তার থাকার রহস্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সহায়তায় নানা কৌশল অবলম্বন করে টিকে থাকেন। বহুবার সাংবাদিকরা তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করলেও তিনি বিভিন্ন নেতা এবং বড় সাংবাদিকদের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে তাদের ভয় দেখান এবং আইসিটি মামলার ভয় দেখিয়ে সাংবাদিকদের নীরব রাখার চেষ্টা করেন। দুর্নীতিতে বেপরোয়া এই কর্মকর্তা পিয়ন মোঃ শাহিনকে দিয়ে দুর্নীতি অনিয়ম, কমিশন বানিজ্য, নিয়োগ তদবির ও পার্টনারে ঠিকাদারিসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে, শাহিন এখন প্রায় কোটি টাকার মালিক।
মোঃ শাহিন এর দুর্নীতি অনিয়ম, কমিশন বানিজ্য, নিয়োগ তদবির ও পার্টনারে ঠিকাদারিসহ নানা অপকর্ম করে তিনি এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। দুদকের জাল ভেদ করতে নামে বেনামে জমি, বাড়ি, ব্যবসা বানিজ্যসহ বিপুল অর্থ সম্পদ গড়ে তুলছেন তিনি। তার জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদের হিসাব সম্পদ খতিয়ে দেখলেই প্রমাণ মিলবে।