
নিজেস্ব প্রতিবেদক যশোরঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে ৮৮ যশোর চার সংসদীয় আসনে নির্বাচনী মাঠ উত্তাপ হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের আর মাত্র দুই দিন বাকি থাকয় সরগরম হয়ে উঠেছে পাড়া মহল্লার চায়ের দোকান সহ হাট বাজার। তৃণমূল পর্যায়ে চলছে নানান হিসাব নিকাশ।৮৮যশোর ৪ বাঘারপাড়া অভায়নগর ও বসুন্দিয়া নির্বাচনী এলাকার ৪,৫৮,৫২৯ ভোটারকে সামনে রেখে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রচার-প্রচারণা জোরদার হলেও বিএনপি নিজেদের ভেতরেই বড় সংকটে পড়েছে। যশোরের ছয়টির মধ্যে যশোর চার আসনেরও প্রার্থী পরিবর্তনের ফলে মনোনয়নবঞ্চিত তূর্ণমুল নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ প্রকাশ্য হয়ে উঠেছে। দলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনই এখন বিএনপির আলোচনার কেন্দ্র।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগ মাঠে সক্রিয় না থাকায় দীর্ঘদিন পর এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠছে বিএনপি– জামায়াতের মধ্যে। নবীন ভোটারদের আগ্রহ, স্থানীয় ইস্যু ও রাজনৈতিক সমীকরণে যশোর চার আসনের রাজনীতি এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনে এ আসনটি সদ্য নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের দখলে থাকায় বিএনপি কে থাকতে হতো দ্বিতীয় অবস্থানে।
দুই টি উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও দুই টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত যশোর-৪ আসনে বিএনপির টিকিট পেয়েছেন মতিয়ার রহমান ফারাজী। এ আসন টিতে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নেতা ইন্জিনিয়ার টি,এস আয়ুইব।তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হলেও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মেনে রাতদিন ধানের শীষের পক্ষে লড়ছেন। মানুষের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছেন তিনি। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা গোলাম রসুল মনোনয়ন পেয়েছেন। একক প্রার্থী হওয়ায় শুরু থেকে জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি ও তার কর্মী সমর্থকরা।
এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ৫৮ হাজার ৫২৯জন।পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২লক্ষ২৮হাজার ৪৩৩ জন নারী ভোটার রয়েছেন২৩লক্ষ৩০হাজার০৯২জন তূতীয় লিঙ্গ রয়েছেন ০৪জন। বিএনপি বিরোধীতা মেটাতে সক্ষম হলে এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন অনেকে।টি এস আয়ুইব দলীয় নেতাকর্মীদের আগলে রাখা, ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন কর্মসূচিতে রাজপথে থাকা তার ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা তৈরি করেছেন।তিনি দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তূর্ণমূল নেতা কর্মীদের মাঝে রয়েছে ক্ষোভ।
অপর দিকে জামাতের জেলা আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল সাংগঠনিক ভাবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাংগঠনিক ভাবে নমনীয়তায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন। সাধারণ ভোটারদের মতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুস্থ ও নিরোপক্ষ হলে বিএনপি ও জামাতের মধ্যে হাডাহাডি লড়াই হবে।