1. admin@dainikmuktoalo.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই মামলার ডিজিটাল ফাঁদ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে! সোনারগাঁয়ে ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় দৌড়ানোর সময় টিপু সুলতান নামের এক যুবকের মৃত্যু সোনারগাঁ থানার ওসির আকস্মিক বদলি, পাঠানো হলো রংপুর ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা: সোনারগাঁও ভূমি অফিসে মিউটেশন ও সার্টিফিকেট শাখায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মহোৎসব! সোনারগাঁয়ে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত, শিক্ষার্থীদের দেওয়া হলো গাছের চারা উদ্ধারকৃত ১৬০ কেজি গাঁজা বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগে (ওসি) মোঃ আবদুল বারীকে প্রত্যাহার সোনারগাঁওয়ে ঐতিহাসিক স্থাপনায় ইসরাইলি পণ্যের শুটিং, ৪ দিন দর্শনার্থী প্রবেশ নিষেধ সোনারগাঁয়ে যুবলীগ নেতার হামলায় শিশুসহ ৩ জন গুরুতর আহত – প্রাণনাশের হুমকি ডিবি কার্যালয়ে এমপিপুত্র, বাইরে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা সোনারগাঁয়ে তোলপাড় নেপথ্যে নায়েব আব্দুল হাই সিকদার বাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ডিজিটাল কায়দায় সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দালাল চক্রের গডফাদার সুমন

সোনারগাঁওয়ে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য দিতে গড়িমসি তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা ফারজানা রহমানের

দৈনিক মুক্ত আলো
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪০২ বার পঠিত

জসিম উদ্দিনঃ সোনারগাঁওয়ে উন্নয়ন তহবিলের কয়েক কোটি টাকা হরিলুটের অভিযোগ, তথ্য অধিকার আইনেও মিলছে না সঠিক তথ্য উপজেলার উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিয়ম ও প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড। গত অর্থবছরে ADP ও UDF ফান্ড হতে PIC করণের মাধ্যমে কতগুলো প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে, কত টাকার কাজ হয়েছে—সে বিষয়ে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আবেদন করেও সাংবাদিকরা গত ৬ মাসে কোনো তথ্য পাননি। আইন অনুযায়ী ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য দেওয়ার কথা থাকলেও ৬ মাস অতিক্রান্ত হয়ে ৭ মাস চললেও সোনারগাঁ উপজেলা তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা ফারজানা রহমান সাংবাদিকদের আবেদন উপেক্ষা করে চলেছে। উল্টো যারা তথ্য অধিকার ফরম পূরণ করেছেন, সেই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই চলছে নানা ষড়যন্ত্র।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত এক বছরে উপজেলার ১০টি  ইউনিয়ন ও পৌরসভার নামে ফান্ড এনে অধিকাংশ কাজ নামমাত্র করা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে কোনো কাজই হয়নি। অথচ ফাইলপত্রে এসব কাজ দেখানো হয়েছে সম্পন্ন। অভিযোগ উঠেছে, এভাবে অন্তত কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। উপজেলায় বর্তমানে কোনো জনপ্রতিনিধি ও পৌরসভার মেয়র না থাকায় প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে উন্নয়ন ফান্ডে ব্যাপক দুর্নীতির সুযোগ নেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন। এ ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা রহমান এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে সরাসরি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে।

সচেতন মহল বলছে, সাংবাদিকদের নীরব বা বিভ্রান্ত করে রেখে যদি কোটি কোটি টাকার ফান্ড লুটপাট হয়, তবে তা  সোনারগাঁবাসীর সঙ্গে নির্মম প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়। এ অর্থ জনগণের করের টাকা, তাই এর হিসাব জনগণ জানবে—এটাই আইনগত ও নৈতিক অধিকার। প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য দেননি। সোনারগাঁবাসী প্রশ্ন রাখছে—এত বড় দুর্নীতির অভিযোগের কোনো অনুসন্ধান কি শুরু হবে না?

Facebook Comments Box
সংবাদটি শেয়ার করুন :

Please Share This Post in Your Social Media

এ ক্যাটাগরির আরও সংবাদ